ইরানে ইন্টারনেট-সংযুক্ত ডিভাইস ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা।

Image
ইসরাইলের নজরদারি বা হ্যাকিংয়ের আশঙ্কায় ইরানের সাইবার নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ইন্টারনেট-সংযুক্ত ডিভাইস ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। মঙ্গলবার ইরানের রাষ্ট্রীয় ফার্স নিউজ এজেন্সির দেওয়া তথ্য প্রকাশ করেছে ইসরাইলি সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইসরাইল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানি কর্মকর্তাদের ও তাদের দেহরক্ষীদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তারা আর কোনো এমন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে পারবেন না যা পাবলিক ইন্টারনেট বা টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। ধারণা করা হচ্ছে, ইসরাইল গোয়েন্দা নজরদারি বা হ্যাকিংয়ের আশঙ্কায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইসরাইলি হামলার পাশাপাশি দেশটির ভেতরে একাধিক তথ্য ফাঁস ও সাইবার হামলার প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত এসেছে। ইরান সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা-ব্যবস্থা আরো কঠোর করার ইঙ্গিত দিচ্ছে। Please wait 30 seconds... Next

পোশাকের অধঃপতন: শেষ জামানায় মেয়েদের ও ছেলেদের পোশাক।

শেষ জামানায় মানবজীবনের প্রতিটি দিকেই পরিবর্তন এসেছে, বিশেষ করে পোশাকের ক্ষেত্রে। যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পোশাকের আকার, ধরন এবং উদ্দেশ্যেও ব্যাপক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে পোশাকের মূল উদ্দেশ্য হলো শালীনতা রক্ষা করা এবং লজ্জাস্থান ঢেকে রাখা। কিন্তু আধুনিক যুগে এই উদ্দেশ্য প্রায় ভুলে যাওয়া হয়েছে।



মেয়েদের পোশাক

ইসলামে মেয়েদের পোশাক এমন হওয়া উচিত যা শরীরকে সম্পূর্ণরূপে ঢেকে রাখে এবং আকর্ষণ মুক্ত রাখে। অথচ বর্তমান সমাজে দেখা যাচ্ছে, মেয়েদের পোশাক ক্রমশ সংকীর্ণ, আঁটসাঁট এবং স্বচ্ছ হয়ে উঠছে। আধুনিক ফ্যাশনের নামে শালীনতার বিপরীতে চলে যাচ্ছে অনেক পোশাকের ধরন।


ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি মেয়ের পোশাক যা দেখতে পরিপাটি ও ফ্যাশনেবল হলেও এটি ইসলামী শালীনতার মানদণ্ডে পুরোপুরি উত্তীর্ণ নয়। জামার গলার নকশা এবং রঙের মেলবন্ধন আকর্ষণীয় হলেও এটি শালীনতার মূলনীতির সাথে পুরোপুরি মিল রাখে না।


ছেলেদের পোশাক

ছেলেদের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। ছেলেদের পোশাকেও ফ্যাশনের নামে শালীনতা হারিয়ে যাচ্ছে। ছবির ডান পাশের ছেলেটির পোশাক দেখলেই বোঝা যায়, এটি আধুনিক ডিজাইনের একটি জামা হলেও নকশার জাকজমকতা ও ফ্যাশনেবল উপস্থাপন ইসলামি পোশাকের আদর্শের সাথে সাংঘর্ষিক।


ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি দুনিয়াতে প্রসিদ্ধির পোশাক পরিধান করে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে অপমানের পোশাক পরাবেন।” (ইবনে মাজাহ)


আজকাল ফ্যাশনের নামে পোশাকের যে পরিবর্তন এসেছে, তা মূলত আত্মপ্রদর্শন এবং লোকদেখানো সংস্কৃতির অংশ। ইসলাম আমাদের পোশাককে শুধু শালীনতা নয়, আত্মশুদ্ধি এবং তাকওয়ার প্রতীক হিসেবে দেখেছে।


করণীয়

- ইসলামী শালীনতার বিধান মেনে পোশাক নির্বাচন করা উচিত।

- পোশাক এমন হওয়া উচিত যা দেহকে ঢেকে রাখে এবং আকর্ষণ মুক্ত রাখে।

- ফ্যাশনের নামে আত্মপ্রদর্শনমূলক পোশাক পরিহার করা উচিত।


উপসংহার

শেষ জামানায় ফ্যাশনের নামে পোশাকের অধঃপতন এক ভয়াবহ সামাজিক সমস্যা। তাই আমাদের উচিত পোশাকের বিষয়ে সতর্ক থাকা এবং ইসলামের আদর্শ অনুযায়ী শালীন পোশাক পরিধান করা।


Comments

Popular Posts

ইরানে ইন্টারনেট-সংযুক্ত ডিভাইস ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা।

বাবার দেওয়া সেরা ৫টি উপদেশ।

ছোট পর্দার তারকাদের পারিশ্রমিক: কে কত নিচ্ছেন এখন?