ইরানে ইন্টারনেট-সংযুক্ত ডিভাইস ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা।

Image
ইসরাইলের নজরদারি বা হ্যাকিংয়ের আশঙ্কায় ইরানের সাইবার নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ইন্টারনেট-সংযুক্ত ডিভাইস ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। মঙ্গলবার ইরানের রাষ্ট্রীয় ফার্স নিউজ এজেন্সির দেওয়া তথ্য প্রকাশ করেছে ইসরাইলি সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইসরাইল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানি কর্মকর্তাদের ও তাদের দেহরক্ষীদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তারা আর কোনো এমন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে পারবেন না যা পাবলিক ইন্টারনেট বা টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। ধারণা করা হচ্ছে, ইসরাইল গোয়েন্দা নজরদারি বা হ্যাকিংয়ের আশঙ্কায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইসরাইলি হামলার পাশাপাশি দেশটির ভেতরে একাধিক তথ্য ফাঁস ও সাইবার হামলার প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত এসেছে। ইরান সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা-ব্যবস্থা আরো কঠোর করার ইঙ্গিত দিচ্ছে। Please wait 30 seconds... Next

পাইলট ছাড়াই আকাশে বিমান, যেভাবে বেঁচে গেলেন দুই শতাধিক যাত্রী।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

আকাশে ভেসে চলেছে একটি যাত্রীবাহী বিমান। হঠাৎ করেই ঘটে যায় অপ্রত্যাশিত এক ঘটনা—বিমানটির দুই পাইলটই অচেতন হয়ে পড়েন মাঝ আকাশে। মুহূর্তেই যেন থমকে যায় দুই শতাধিক যাত্রীর প্রাণ! তবে শেষ পর্যন্ত এক অবিশ্বাস্য প্রযুক্তির কল্যাণে প্রাণে বাঁচেন সবাই।



ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে ইউরোপগামী একটি ফ্লাইটে। বিমানটি বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার মডেলের এবং এতে ছিলেন ২১৭ জন যাত্রী। আকাশে ওড়ার কিছু সময় পর হঠাৎ করে প্রধান পাইলট অসুস্থ হয়ে পড়েন। সহকারী পাইলট বিষয়টি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনিও জ্ঞান হারান। ককপিটে তখন আর কোনো সচেতন ব্যক্তি নেই।


বিমানটি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়লে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে যায় ‘অটো পাইলট সেফটি সিস্টেম’। এটি একটি আধুনিক প্রযুক্তি, যা জিপিএস এবং এআই (Artificial Intelligence)-এর মাধ্যমে বিমানের গতিপথ ও অবস্থান নিরীক্ষা করে। জরুরি পরিস্থিতিতে বিমানকে সুরক্ষিত পথে গন্তব্যের দিকে পরিচালিত করে।


বিমান কোম্পানির কন্ট্রোল সেন্টার থেকে তৎক্ষণাৎ রিমোট কমান্ডের মাধ্যমে একটি বিশেষ প্রশিক্ষিত টিম বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। আধুনিক রিমোট পাইলটিং প্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রাউন্ড কন্ট্রোল সেন্টার থেকেই বিমানটি সঠিক পথে পরিচালিত করে একটি নিকটবর্তী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করানো হয়।


অবতরণের পর দ্রুত দুই পাইলটকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তারা দুজনই খাবারজনিত বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। যাত্রীরা সবাই অক্ষত ও নিরাপদ আছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।


বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ভবিষ্যতের বিমানযাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত। প্রযুক্তি কীভাবে মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে, এই ঘটনাটি তারই এক উজ্জ্বল উদাহরণ।

Copy This Code: VJXYRWXU976435783

এয়ারলাইন কর্তৃপক্ষ এবং বিমানচালনা নিয়ন্ত্রণ সংস্থাগুলো এই ঘটনার পূর্ণ তদন্ত শুরু করেছে। তবে নিশ্চিতভাবেই বলা যায়, যদি এই আধুনিক স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি না থাকত, তাহলে ঘটনা ভয়াবহ রূপ নিতে পারত।



Please wait 20 seconds...
Next

Comments

Popular Posts

ইরানে ইন্টারনেট-সংযুক্ত ডিভাইস ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা।

ছোট পর্দার তারকাদের পারিশ্রমিক: কে কত নিচ্ছেন এখন?

বাবার দেওয়া সেরা ৫টি উপদেশ।